বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের শীর্ষ ১০ অধিনায়ক


আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জাতীয় ক্রিকেট দল হিসেবে পরিচিত। এই দলের ক্রিকেটাররা টাইগার্স নামে পরিচিত।
বিসিবি ( বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ) দলটি পরিচালনা করে। আইসিসি র টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রাপ্ত স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর একটি হলো বাংলাদেশ। ২০০০ সালে দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে। ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফিতে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বপ্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
এর আগে ১৯৭৭ সাল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আইসিসির সহযোগী সদস্য ছিল। টেস্ট বহিভূত দেশগুলোর শীর্ষ স্থানীয় প্রতিযোগিতা আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ৬বার অংশ নেয়। ২০০০সালের ২৬ শে জুন দলটি আইসিসি (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল ) এর পূর্ণাঙ্গ সদস্যভূক্ত হয়। ১৯৮৮ আয়োজক দেশ হিসেবে বংলাদেশ এশিয়া কাপে অংশগ্রহণ করে। এটিই ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা।
জাতীয় ক্রিকেট দলের সেরা ১০ অধিনায়ক:
ক্রিকেট খেলায় যিনি দলের নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক বলতে তাকেই বুঝানো হয়। শুধুমাত্র ভালো খেলতে পারলেই একজন খেলোয়াড় দলের অধিনায়ক হতে পারেন না, ভালো খেলার পাশাপাশি তাকে আরো অনেক গুণের অধিকারী হতে হয়।
তাকে হয় উদ্যমী, নিষ্ঠাবান, দল পরিচালনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দিতে হয় নৈপুণ্যের পরিচয়।
১/ শামীম কবির :
জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম অধিনায়ক হলেন শামীম কবির। তার আসল নাম আনোয়ারুল কবির। তিনি১৯৪৫ সালে নরসিংদীতে জন্ম নেন। স্বাধীনতার ৬বছর পর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল মাঠে নামে।
১৯৭৭ সালের ৭ জানুয়ারি দলটি প্রথম তিন দিনের একটি ক্রিকেট ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ডের একটি ক্লাবের বিপক্ষে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণের যোগ্য কি না মূলত সেটা যাচাইয়ের লক্ষে খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সেই সময়ে ঢাকা স্টেডিয়াম বর্তমানে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম এ অনুষ্ঠিত খেলাটিই ছিল কোন বিদেশী দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রথম খেলা। আর এই খেলাতে দলটির অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন শামীম কবির। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার হিসেবে খেলেছেন।
খেলোয়াড় জীবনের শেষের দিকে তিনি বিসিবি তে যুক্ত হন। ক্রিড়াঙ্গনের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি ১৯৯৯ সালে জাতীয় পুরষ্কার অর্জন করেন।
বার্ধক্যজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শামীম কবির ৭৫ বছর বয়সে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই রোজ সোমবার ধানমন্ডির ইডেন ক্লিনিকে মৃত্যুবরন করেন।
২/তামিম ইকবাল :
পূর্ণ নাম তামিম ইকবাল খান। তিনি ১৯৮৯ সালের ২০ মার্চ চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একজন বামহাতি ব্যাটসম্যান। বাংলাদেশ দলের পক্ষে তিনি প্রথম ব্যাটসম্যান। তিনি বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের বর্তমান অধিনায়ক। ২০২০ সালের ৮ মার্চ বিসিবি কর্তৃক তিনি অধিনায়কের দায়িত্ব পান।
২০০৭ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সর্বপ্রথম একদিনের ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০০৮ সালে নিউজিল্যান্ড এর বিপক্ষে ওভালের মাঠে টেস্ট খেলার মধ্য দিয়ে টেস্টে তার অভিষেক ঘটে।সেই খেলায় তিনি প্রথম ইনিংসে ৫৩রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৪ রান করেন।
২০০৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে কেনিয়ার বিপক্ষে টি20 খেলায় তার অভিষেক ঘটে। বিপিএল ইতিহাসে বর্তমানে তিনিই সবচেয়ে বেশি রান সংগ্রহ করেন। ৫৭ ইনিংসে তামিম সংগ্রহ করেন ১৮২৫ রান। ২০১১ সালে তিনি উইজডেন এর সেরা ক্রিকেটার মনোনিত হয়েছিলেন।
৩/মাশরাফি বিন মোর্তজা :
১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর তিনি বাংলাদেশের নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন। ডাকনাম ম্যাশ। সর্বোচ্চ গতির বোলার হিসেবে তিনি সমর্থকদের কাছে নড়াইল এক্সপ্রেস নামে পরিচিত।
তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের টেস্ট, ওয়ানডে ও টি ২০ টির সাবেক অধিনায়ক ছিলেন। ওয়ার্ল্ড ফেইম ১০০ এ বিশ্বের ১০০ জন সেরা ক্রিড়াবিদদের মধ্যে তিনি ৫ম বোলার নির্বাচিত হন। তিনি ছিলেন একজন পেস বোলার। বাংলাদেশ এ দলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেই তিনি জাতীয় দলে অধিনায়কত্ব করার সুযোগ পান।
২০০১ সালের ৮নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলে টেস্টে তার অভিষেক ঘটে। ২০০৬ সালে টি২০আই তে তার অভেষেক ঘটে। ২০১৭ সালে তিনি শেষ টি২০ আই খেলেন।
৪/মুশফিকুর রহিম:
মুশফিকুর রহিমের পূর্ণ নাম মোহাম্মদ মুশফিকুর রহিম। ১৯৮৭ সালের ৯ ই মে তিনি বগুড়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়।
মুশফিক বিকেএসপির শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি মূলত উইকেট রক্ষক এবং মাঝামাঝি ধরনের একজন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২০০৫ সালের ২৬ শে মে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট খেলেই টেস্টে তার অভিষেক ঘটে।
২০০৬সালের ৬ই আগস্ট জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলে তার ওডিআইয়ের খেলা শুরু হয়। তিনি ২০০৬ সালের ২৮শে নভেম্বর টি20 খেলায় প্রথম অংশ নেন। ২০০৬ সালের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলকে তিনি নেতৃত্ব দেন।
তিনি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান যিনি টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন। এছাড়া তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে দুইটি দ্বিশতকের রেকর্ড গড়েন। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের সফরে অধিনায়ক মাশরাফি আঘাত প্রাপ্ত হলে সহ অধিনায়ক সাকিব অধিনায়কের দায়িত্ব পান এবং মুশফিকুর রহিম সাকিবের স্থলাভিষিক্ত হন।
২০১১ সাল থেকে সে বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন শুরু করে। তার নেতৃত্বে এশিয়া কাপে বাংলাদেশ রানার্সআপ অর্জন করে। তার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ প্রথম বারের মতো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে। তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন।
৫/মুমিনুল হক:
প্রকৃত নাম মোমিনুল সোহরাব হক। জন্ম ১৯৯১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর । তিনি কক্সবাজার এ জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের অন্যতম বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত। তার ডাকনাম সৌরভ। তিনি ধীরগতিতে বামহাতি অর্থোডক্স বোলিং করে থাকেন।
টেস্ট খেলায় দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি খেলোয়াড় তিনি। ২০১০ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তার টেস্ট খেলার অভিষেক ঘটে। এরপর ২০১২ সালে তার ওডিআই ও টি20আই খেলায় তার অভিষেক ঘটে। তিনি বহুবার অধিনায়কের দায়েত্ব ও পালন করেন।
৬/মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ:
১৯৮৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তিনি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাইলেন্ট কিলার নামে পরিচিত। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের একজন সিনিয়র সদস্য।
তিনি অকেশনাল অফ স্পিনার এবং মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সর্বোপরি তিনি একজন অলরাউন্ডার।
২০০৯ সালের ৯ জুলাই তার টেস্টে অভিষেক ঘটে। তিনি ২০০৭ সালে ওডিআই ২০০৭ এর ১ সেপ্টেম্বর টি২০ খেলা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ টেস্ট খেলায় সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
৭/মোস্তাফিজুর রহমান:
১৯৯৫ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মোস্তাফিজ খুলনার কালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বা হাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলার। ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলার মাধ্যমে তার টেস্টে অভিষেক ঘটে।
২০১৫ সালের ১৮ জুন তিনি ওডিআই তে খেলা শুরু করেন এবং শেষ ওডিআই খেলেন ১এপ্রিল ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। তিনি ২৪ এপ্রিল ২০১৫তে টি২০আই শুরু করেন এবং ২০১৮ এর ৫আগস্ট শেষ টি২০আই খেলেন।
২০১৯সালের এপ্রিলে তিনি ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ খেলার জন্য বাংলাদেশ দলে যোগ দেন।সাকিব আল হাসানের পর তিনি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বোলার হিসেবে বিশ্বকাপের ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার গৌরব অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশের দ্রুততম বোলার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
৮/আকরাম খান :
১৯৬৮ সালের ১ নভেম্বর তিনি চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়। তিনি একজন ব্যাটসম্যান।
তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ৮ টি টেস্ট ও ৪৪ টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। তিনি ১৫ টি একদিনের খেলায় বাংলাদেশ দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে চট্টগ্রাম দলের হয়ে খেলেন।
৯/মোহাম্মদ আশরাফুল :
১৯৮৪ সালের ৭ জুলাই তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটসম্যান। তিনি একজন ব্যাটসম্যান তাছাড়া তিনি ডানহাতি লেগ স্পিনার হিসেবে ও পরিচিত।
তিনি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট খেলোয়াড় হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের নেতৃত্ব ও দেন।
১০/সাকিব আল হাসান :
সাকিব আল হাসানের জন্ম ১৯৮৭ সালের ২৪ শে মার্চ মাগুরা জেলায়। ২০০৬ সালে ক্রিকেটে সাবকিবের অভিষেক হয় ২০০৬ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নেন। সেই থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সঙ্গে তার পথচলা শুরু হয়। তিনি বিকেএসপি র প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন।
২০১৫ সালের আইসিসির খেলোয়াড়দের র‌্যাংকিং অনুযায়ী টেস্ট, ওডিআই ও টি ২০ খেলায় প্রথম ও একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে এক নাম্বার অলরাউন্ডার হন। তিনি একজন বামহাতি ব্যাটসম্যান ও বামহাতি অর্থোডক্স স্পিনার।
তিনিই প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার যে কিনা একদিনের ক্রিকেটে ৪০০০ রান সংগ্রহ করেন এবং ২০১৭ সালের টেস্টে তিনি সর্বোচচ ব্যক্তিগত রান (২১৭) সংগ্রাহক।
সাকিব সর্বপ্রথম ২০০৯ সালে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন।তার নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে টেস্ট ও ওয়ান ডে সিরিজ জিতে বাংলাদেশ। ২০১১ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ও তিনি নেতৃত্ব দেন।
২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি20 আন্তর্জাতিক খেলায় অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। তাকে বিশ্বের অন্যতম অলরাউন্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিগত ১০ বছর ধরে তিনি শীর্ষ অলরাউন্ডার হিসেবে তার র‌্যাংকিং ধরে রেখেছেন।
তিনি শেষ টেষ্ট খেলেন ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর বিপক্ষে এবং ২০১৯ সালের ২৪ শে জুন তিনি আফগানিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওডিআই খেলেন। সাকিব তার খেলোয়াড় জীবনে বহুবার সমালোচনার মুখে পড়েছেন এবং বহুবার তিনি নিষিদ্ধ ও হয়েছেন।
দলের অধিনায়ক হিসেবে একজন খেলোয়াড়কে অনেকগুলি অতিরিক্ত দায়িত্ব ও গুণাবলীর অধিকারী হতে হয়। তাকে নিয়মিত খেলোয়াড় হিসেবে তার ক্রিড়া নিপুনতা প্রদর্শন করতে হয়। ক্রিড়ার ন্যায় অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাকে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হয়।
তার আচার আচরণ এবং বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ঘটিয়ে সব ক্ষেত্রে নিপুণভাবে সকলের গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করতে হয়। একজন অধিনায়ক খেলার পূর্বে দলের সদস্য নির্বাচন, টস, বোলিং ও ব্যাটিং অর্ডার নির্বাচন থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্য দলের সদস্যদের সম্মতিক্রমে নিপুনভাবে সমাধান করে থাকেন।
শেষকথা:
পরিশেষে বলা যায় সাকিব,তামিম,মুশফিকদের মতো প্রতিটি অধিনায়কের একজন সাধারণ খেলোয়াড় হতে অধিনায়ক হয়ে ওঠার পেছনে রয়েছে অনেক অজানা গল্প।
একজন অধিনায়ক হিসেবে নিজের অবস্থান অর্জন করার পেছনে রয়েছে অক্লান্ত পরিশ্রম আর কঠোর সাধনা রয়েছে হাজার বার ব্যর্থ হওয়ার পর ও ভেঙ্গে না পড়ে নিজেকে শক্ত রেখে লক্ষ্যে পৌছানোর ইতিহাস।
মেটা:
আপনি কি একজন ক্রিকেট প্রেমী? জানতে চান আপনার প্রিয় অধিনায়কের লক্ষ্যে পৌছানোর গল্প,তাহ‌লে এই লেখাটি আপনার জন্যই।
এই লিখাটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন আপনার প্রিয় অধিনায়কের অধিনায়ক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনের ইতিহাস।

বাংলাদেশ-ক্রিকেটের-শীর্ষ -১০-অধিনায়ক