বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থা, শীর্ষে রয়েছে মোসাদ


প্রতিটি দেশেই নিরাপত্তার জন্য রয়েছে বিশেষ ইনটেলিজেন্স এজেন্সি কিংবা গোয়েন্দা সংস্থা।  দেশের অভ্যন্তরে কিংবা বাইরে বড়সড় বিপদের সামান্যতম ইঙ্গিত প্রথমই পেয়ে থাকে এই গোয়েন্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থাকে একটি দেশের ‘ফার্স্ট লাইন অফ ডিফেন্স’ বলা হয়ে থাকে।

বড়সড় যেকোনো হামলা ঠেকানো যেমন এদের কাজ, তেমনি শত্রুদের যাবতীয় গোপন অপারেশনের খবর রেখে প্রয়োজনে গোপন মিশন চালিয়ে শত্রু পক্ষের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া এইসব দক্ষ স্কোয়াডেরই কাজ।

বিশ্বে এমন অনেক দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে দেশের জন্য।  অনেকে আবার তাদের দুঃসাহসিক সব অভিযান আর কাজকর্মের জন্য স্থান করে নিয়েছে ইতিহাসের পাতায়।

আজ আপনাদেরকে এমনই কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো।  তাহলে চলুন দেরি না করে জেনে নেয়া যাক বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কে। 

বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থা:

১. মোসাদ (MOSSAD)

বিশ্বের সব দুর্ধর্ষ গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে এক নাম্বারে রাখা হয়েছে ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদকে।  সারা বিশ্বে মোসাদ (MOSSAD) জিউদের রক্ষাকবচ  হিসেবে পরিচিত। 

এটি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে পরিচালিত হয়ে থাকে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী’ই সংস্থাটির প্রধান। পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় যেকোনো পরিস্থিতিতে অপারেশন চালানোর ক্ষমতা রাখে এই বিশেষ এলিট বাহিনী। 

১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর এই গোয়েন্দা সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এমএসএস, এফএসবি, এমআইএসআইআরআই, হিজবুল্লাহ এবং হামাস এই সংস্থাটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। 

মোসাদ সাধারণত বৈদেশিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা, বৈদেশিক নীতি-নির্ধারণে সহায়তা, কাউন্টার ইনটেলিজেন্স পরিচালনা, কাউন্টার টেররিজম,  গুপ্তহত্যা,  নিজস্ব লোক সংগ্রহ ও নেটওয়ার্ক তৈরি,শত্রু এজেন্টদের সন্ধান, সাইবার ওয়ারফেয়ার পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি সংগ্রহ, ড্রোন আক্রমণ, গুপ্ত কারাগার পরিচালনা ইত্যাদি কাজের সাথে জড়িত।

তবে মোসাদের এই কাজের বাজেট কারও জানা নেই।

১৯৬০ সালের দিকে মোসাদের অন্যতম বড় ও বিতর্কিত সাফল্য আসে,  নাৎসি লেফটেন্যান্ট কর্নেল অ্যাডলফ আইখম্যানকে আর্জেন্টিনা থেকে কিডন্যাপ ও পরবর্তীতে ইসরায়েলে নিয়ে তাঁকে মৃত্যুদন্ড দেয়ার মাধ্যমে। 

এছাড়াও ১৯৬৫ সালে হেবাররত চুকারস হত্যা, ১৯৬৩-৬৬ সালের অপারেশন ডায়মন্ড, ১৯৭২ সালের মিউনিখ অলিম্পিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ, ১৯৯০ সালের অপারেশন জেরাল্ড বুল কিলিং, ১৯৯২ সালের আতেফ বেইসো হত্যাকাণ্ড, ২০১০ সালের মোহাম্মদ আল মাবহু হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে সর্বশ্রেষ্ঠত্বের স্থান করে নিয়েছে এই মোসাদ।

২. সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (CIA)

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ এবং অন্যতম  তুখোড় গোয়েন্দা সংস্থা এই সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। মার্কিন সরকারের আওতাধীন এই বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাটি ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যা  বিশ্বে সিআইএ (CIA) হিসেবেই অধিক পরিচিত । 

 বিভিন্ন বিদেশি সরকার, সংস্থা ও সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের সম্বন্ধে তথ্য সংগ্রহ করা এবং তা জাতীয় নীতিনির্ধারকদের সরবরাহ করা হল এই সংস্থাটির মূল কাজ।

লাদেন নিকেশ অভিযানের কথা জানেন তো? অ্যাবোটাবাদের সেই লাদেন নিকেশের পুরো অপারেশনটি পরিচালনা করেছিল সিআইএ।  আর এই অপারেশনের মাধ্যমেই বিশ্বের সব গুপ্তচর সংস্থার কৃতিত্বের ইতিহাসে একেবারে তুঙ্গে স্থান করে নিয়েছে এই  গোয়েন্দা সংস্থাটি।

এছাড়াও এই গোয়েন্দা সংস্থাটি আফগানিস্থান এবং ইরাকে মার্কিন সেনা অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এই গোয়েন্দা সংস্থাটি বিশ্বে সবচেয়ে ধনী গোয়েন্দা সংস্থা হিসেবেও পরিচিত। 

৩.  এমআইসিক্স (MI6)

বিশ্বের সবচেয়ে পুরনো  এই গোয়েন্দা সংস্থাটি  ব্রিটিশ মিলিটারির ইন্টেলিজেন্স এর একটি বিশেষায়িত শাখা। অফিসিয়ালিভাবে সংস্থাটি সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এসআইএস) নামে পরিচিত। এটি ১৯০৯ সালের অক্টোবরে  ‘সিক্রেট সার্ভিস ব্যুরো’ নামে প্রতিষ্ঠিত  হয়। 

সে সময় ব্যুরো দুটি সেকশনে ভাগ হয়ে কাজ করতো। এর মধ্যে একটি হলো নেভাল সেকশন যার কাজ ছিল বাইরের দেশে গোয়েন্দাগিরি করা। অপর সেকশনটি হলো আর্মি সেকশন যার কাজ ছিল অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস দমন করা। পরবর্তীতে এই নেভাল বিভাগের নাম দেওয়া হয় এমআই সিক্স  (MI6) এবং আর্মি বিভাগের নাম এমআই ফাইভ রাখা হয়।

ইংল্যান্ডের এই গোয়েন্দা সংস্থাটিকে নিয়ে তৈরি হলিউড সিনেমা ‘জেমস বন্ড’ পৃথিবী বিখ্যাত। 

এই গোয়েন্দা সংস্থাটি যে কোনো ধরনের জঙ্গি কার্যকলাপ,  মাদক পাচার, পারমাণবিক শক্তি  কিংবা বড়সড় পরিকল্পনামাফিক করা অপরাধ  কিংবা যেকোন ধরনের বিপদ সংকেত আগাম প্রধান করে থাকে।

৪. এমএসএস (MSS)

বিশ্বের সব গোয়েন্দা সংস্থার চেয়ে সর্বোচ্চ  কর্মী নিয়ে গঠিত ‘গুওজিয়া আনকুয়ান বু’ হলো চীনের গোয়েন্দা সংস্থা যা সারা বিশ্বে এমএসএস  (MSS)  হিসেবে বেশি সমাদৃত ।  এটির কর্মী সংখ্যা পৃথিবীর সব গোয়েন্দা সংস্থার তুলনায় সবচেয়ে বেশি বলে ধারণা করা হয়। এবং আইডিয়া করা হয় শুধু অস্ট্রেলিয়াতেই এই গোয়েন্দা সংস্থাটির  এক হাজার ইনফর্মার বা কর্মী রয়েছে।

চীনা এমএসএসের অনেক কিছুই এখন অবধি সাধারণ মানুষের কাছে অজানা রয়ে গেছে। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে এটির সদর দপ্তর অবস্থিত যার জবাবদিহিতা স্টেট কাউন্সিল অব চায়নার কাছে।

চেন ওয়েনকিং হলেন এই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান।

এটির দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রের নিরাপত্তা রক্ষা করা যাতে শত্রু দেশের গুপ্তচর, বাইরের দেশের গোয়েন্দাগিরি এবং চীনের সমাজতান্ত্রিক অবকাঠামোকে উৎখাত করার জন্য শত্রুদের যেসব পরিকল্পিত বিদ্রোহী কার্যকলাপ রয়েছে, সেসবের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

ল্যারি উ তাইচিন, ক্যাট্রিনা লেউং, পিটার লি, চি মাক, কো সুয়েন মো প্রমুখ হলেন এমএসএসের কয়েকজন নামকরা এজেন্ট। 

৫.   এফএসবি (FSB)

রাশিয়ার এফএসবিকে বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে রাখা হয়েছে ৫ নাম্বার অবস্থানে। এটির মূল নাম হলো ফেডারেলনায়া সুলঝবা বেজপাসনোস্তি রাশিস্কয় ফেডেরাটসি। 

মজার ব্যাপার হলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই গোয়েন্দা সংস্থাটির নাম পরিবর্তন করা হয়। সবার প্রথমে এটির নাম ছিল চেকা, পরবর্তীতে নাম পাল্টে রাখা হয় কেজিবি। আর বর্তমানে এর নাম হয় এফএসবি।

১৯৯৫ সালের ৩ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটির সদর দফতর রাশিয়ার মস্কো শহরের ল্যুবিয়াঙ্কা স্কোয়ারে। এর জবাবদিহিতা করতে হয় সেই দেশটির প্রেসিডেন্টের কাছে। এটির প্রধানের দায়িত্বে আছেন আলেকজান্ডার বর্টনিকভ।

মোট ১০ টি বিভাগ নিয়ে এটি কাজ করে। জানা যায়, প্রায় লক্ষাধিক কর্মী নিয়োজিত এই সংস্থাটিতে। এর কর্মীরা বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে যারা নিয়মিত এফএসবিকে তথ্য সরবরাহ করে চলছে।

এই সংস্থাটির নামকরা এজেন্টের নাম হলো আন্না চ্যাপম্যান। ‘গ্রু’ হলো এই সংস্থাটির সাহায্যকারী।

এফএসবির সাধারণত কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স পরিচালনা, গুপ্তহত্যা, বর্ডার সার্ভেইল্যান্স, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, কাউন্টার টেররিজম, নিজস্ব লোক সংগ্রহ করা ইত্যাদি কাজ পরিচালনা করে থাকে।

৬. বিএনডি (BND)

জার্মানির এই গোয়েন্দা সংস্থাটির নাম জার্মান ভাষায় বুন্দেসন্যাচরিচটেনডিয়েনস্ট বা বিএনডি (BND)। এটি জার্মান চ্যান্সেলরের অফিস থেকে সরাসরি পরিচালিত হয় এবং যেকোনো খবর চ্যান্সেলরকেই প্রধান করে থাকে।

বিএনডি গোয়েন্দা সংস্থাটি ১৯৫৬ সালের ১ এপ্রিল গঠিত হয়। তবে শুরুতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআই (CIA) এর সহযোগী হিসেবে কাজ করে।

দেশের ভিতরে কিংবা বাইরে যেকোনো ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটি সর্বদা তৎপর।  লেবানন এবং ইসরাইলের যুদ্ধের সময় এই সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

৭. আইএসআই (ISI)

ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) বিশ্বের সবচেয়ে বিতর্কিত গোয়েন্দা সংস্থা।  পাকিস্তানের এই গোয়েন্দা সংস্থাটি বিতর্কের দিক থেকে প্রথম অবস্থানে স্থান করে নিয়েছে।

পাকিস্তানে এটি ‘সরকারের ভেতরে সরকার’  নামে বহুল পরিচিত।  ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত অস্ট্রোলীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ আর্মি অফিসার ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল রবার্ট চাওথামের পরামর্শে ও তত্ত্বাবধানে আইএসআই  গঠিত হয়।

দেশে বিদেশে এই সংস্থাটির সংখ্যা আনুমানিক ২৫ হাজারের উপরে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ এবং অখণ্ডতা রক্ষা করাই এই সংস্থাটির মূল দায়িত্ব। 

৮. রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং ‘র’ (RAW)

সেরা ১০ এর তালিকায় ভারতের রিসার্চ অ্যান্ড এনালাইসিস উইং সংক্ষেপে ‘র’ কে রাখা হয়েছে ৮ নাম্বার অবস্থানে। এটি গঠিত হয় ১৯৬৮ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, প্রাক্তন ব্রিটিশ ইন্টেলিজেন্স অফিসার ও আইবির ডেপুটি ডাইরেক্টর আর.এন.কাও র নেতৃত্বে। 

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি হচ্ছে এই ‘র’ ( RAW) এর কেন্দ্রবিন্দু।  সংস্থাটির নির্বাহী প্রধানের দায়িত্বে আছেন আনীল দশমনা। এটির প্রধান এজেন্সি হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

ভারতের প্রথম পরমাণু পরীক্ষার সময় এই গোয়েন্দা সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। এছাড়াও এই সংস্থাটি শ্রীলঙ্কার জাফনায় এলটিটিই দৌরাত্ম্য রুখতে ভারতের হস্তক্ষেপের সময় বেশ তৎপর ভূমিকা পালন করেছিল। 

৯. ডিজিএসই (DGSE)

ডিরেক্টরেট জেনারেল এন্ড এক্সটার্নাল সিকিউরিটি (ডিজিএসই) হলো ফ্রান্সের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা। এটির সদর দফতর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অবস্থিত। 

সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকাল ২ এপ্রিল ১৯৮২ যা ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত ।

এই সংস্থাটিতে পাঁচ হাজারের বেশি কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন।

ফ্রান্সকে যেকোনো ধরনের বিপদ থেকে প্রতিরক্ষায় এটি সদা তৎপর। সংস্থাটির মূল দায়িত্ব হচ্ছে বাইরের দেশের বিভিন্ন সূত্র থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং তা মিলিটারি এবং নীতিনির্ধারকদের সরবরাহ করা।

ফ্রান্সের এই সিক্রেট সার্ভিস এজেন্সিটি মধ্য আফ্রিকায় ফরাসি কলোনি তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। এছাড়াও এটি ১৯৯০ সালের রয়ানদান সিভিল ওয়ারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। 

১০. এএসআইএস (ASIS)

এএসআইএস হলো অস্ট্রেলিয়ার  সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় ক্যানবেরাতে অবস্থিত।  এটি গঠিত হয় ১৯৫২ সালের ১৩ মে।

অস্ট্রেলিয়ার এই সংস্থাটির বর্তমান ডিরেক্টর নিক ওয়ার্নার।

মজার ব্যাপার হলো এই সংস্থাটি ২০ বছর পর্যন্ত গোপন ছিল।  এবং আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো অস্ট্রেলিয়ার সরকার ও এই এজেন্সি সম্পর্কে পুরোপুরি অজ্ঞাত ছিলেন।

তবে ১৯৮৩ সালে মেলবোর্নের শেরাটন হোটেলে একটি ব্যঙ্গ প্রশিক্ষণ মিশনে ব্যায়ামের জন্য হোটেলের স্টাফ এবং অতিথিরা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়, যার মাধ্যমে এই সিক্রেট এজেন্সিটি পরিচিতি লাভ করে।

এই সংস্থাটি প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলারের বাজেটে চলে। এর মূল দায়িত্ব হলো এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ।

শেষ কথা

বিশ্বে এমন অনেক গোয়েন্দা সংস্থা রয়েছে যারা সদা তৎপর হয়ে দেশ এবং দেশের মানুষকে রক্ষা করে চলছে। যেকোনো বিপদ পাওয়ার সাথে সাথে এই গোয়েন্দা সংস্থাগুলি  নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে মোকাবিলা করে সমস্ত প্রতিকূলতা।

এই আর্টিকেলে আমরা এমনই বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থা এর নাম এবং তাঁদের কাজ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।  এছাড়াও আপনাদের যদি আরো কোনো বিষয় জানার থাকে,  তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন নিঃসংকোচে। 

Explore More:

বিশ্বের সেরা ১০ কভার্ট অপারেশন যাদের নামে শিউরে উঠে বিশ্ব

ভারতীয় ফুটবলের করুণ ইতিহাস (খালি পায়ে ফুটবল খেলার ইতিহাস)


Recent Posts