পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ১০ ধনী ফুটবল ক্লাব এর ইতিবৃত্ত


ফুটবল প্রেমীদের কাছে ক্লাব ফুটবল মানেই এক অন্যরকম উত্তেজনা। একেকজন একেটা ক্লাবকে সমর্থন করে থাকে তাদের খেলোয়াড়, শৈল্পিক খেলা, এসবের জন্য।

কিন্তু আপনি জানেন কি সারাবিশ্বে প্রায় ২০টির মতো ফুটবল ক্লাব থাকলেও সবগুলোই একই রকম ধনী নয়। আজকে আপনাদের এমনি ১০ ফুটবল ক্লাব নিয়ে জানাব যারা ১০০ বছরের পুরনো এবং একই সাথে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ক্লাব

কোন ক্লাবগুলো বিশ্বে সবচেয়ে ধনী জানতে হলে পড়ুন পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ১০ ধনী ফুটবল ক্লাব প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ। 

পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ১০ ধনী ফুটবল ক্লাব

ফুটবল জগতের সাথে যারা পরিচিত তারা খুব ভালো করেই জানেন বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব সম্পর্কে। এই ক্লাবগুলোর ভিতর থেকে আজকে আমরা পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় ১০ ধনী ফুটবল ক্লাব নিয়ে এখানে আলোচনা করব যারা শতবর্ষের পথ পরিক্রমা পার করে আজকের অবস্থায় এসেছে।

১।ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাব:

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাব

এটি একটি ইংরেজি ফুটবল ক্লাব যার ডাক নাম রেড ডেভিলস। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৭৮ সালে। ক্লাবটির শুরুর দিকে এর নাম ছিল নিউটন হিথ এলো এন্ড ইযার এফসি কিন্তু পরতীতে নাম বদলে ১৯০২ সালে  ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাব হয়। সংক্ষেপে একে বলা হয় ম্যানিইউ।

এদের নিজস্ব মাঠ আছে যা ওল্ড ট্রাফোর্ড ফুটবল গ্রাউন্ড, ট্রাফোর্ড গ্রেটার ম্যানচেস্টারে অবস্থিত। সারাবিশ্বে এদের সমর্থক ছড়িয়ে আছে যার সংখ্যা প্রায় ৩৩০ মিলিয়নের বেশি। এটি পৄথিবীর ইতিহাসের অন্যতম সফল দলগুলোর একটি।বিশ্বের ২৪ টি দেশে ২০০ টির মতো ফ্যান ক্লাব আছে তাদের।

ক্লাবটি প্রথম তাদের কাপ জিতে ১৯০৮ সালে। কিন্তু ১৯৫০ সাল পর্যন্ত তাদের তেমন কোনও সাফল্য ছিল না। পরতীতে স্যার ম্যাট বুজসের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ক্লাবটি তাদের। সাফল্য পেতে শুরু করে।

শেভ্রল্ট, অডি,নাইকির মতো বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক। ২০১৬-১৭ সাল পর্যন্ত ক্লাবটি ছিল সবচেয়ে ধনী ক্লাব। এদের বছরে আয় হয় ৬৭৬.৩ মিলিয়ন ইউরো।

এ ক্লাব-থেকে তৈরি হয়েছে ডেভিড ব্যাকহ্যাম, ক্রিশ্চিয়ানও রোনালদোর মতো কিংবদন্তীরা যার জন্য এ ক্লাবকে বলা হয় কিংবদন্তীর ক্লাব।

২।বার্সেলোনা:

বার্সেলোনা

বিশ্বের ইতিহাসে অন্যতম ধনী স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। এর অবস্থান স্প্যানের কাতা-লুনিয়ার বার্সেলোনা শহরে। এর পূর্ণ নাম ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা  কিন্তু একে এর ডাক নাম বার্সাতেই সবাই চিনে। ১৮৯৯ সালে সুইস,ইংরেজ এবং কাতালান নাগরিক দল মিলে হুয়ানগাম্প নামক এক ব্যক্তির নেতৃত্বে দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। ক্লাবটির নিজের কোন মালিকানা নেই কারণ এর সমর্থকরাই এর মালিকানা বহন করে থাকে এবং তারাই পরিচালক। এদের মাঠের নাম ক্যাম্প ন্যু যার নিজেদের কোন সভাপতি নেই।

ফোর্বস অনুযায়ী এদের সম্পদের পরিমাণ ৪.০৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা উপার্জনের দিক দিয়ে বিশ্বরে তৄতীয় ধনী ফুটবল ক্লাব। এদের বার্ষিক উপার্জন ৬৪৮.৩ মিলিয়ন ইউরো। এরাই সারা বিশ্বে তাদের খেলোয়াড়দের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক দিয়ে থাকে।

ডিয়েগো ম্যারাডনা,রিয়েলদোদোর মতো খেলোয়াড় তৈরি করেছে এই ক্লাব।  এই ক্লাবই একমাত্র ক্লাব যারা ১৯৫৫ সালের পর থেকে মহাদেশীয় ফুটবল প্রতিযোগিতায় প্রতিটি মৌসুমে অংশ নিয়েছ এবং তাদের লা লিগা থেকে অবনমন ঘটেনি।

৩।রিয়াল মাদ্রিদঃ

রিয়াল মাদ্রিদ

স্প্যানিশ লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, এই ক্লাবের পূর্ণনাম হল রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব দে ফুতবল যা একটি স্প্যানিশ পেশাদার ফুটবল ক্লাব। তবে এটি এর ডাকনাম রিয়াল নামেই বেশি পরিচিত।

এদের আবার বেশ কিছু হার্ডকোর সমর্থকও রয়েছে যাদেরকে উলত্রাসসুর বা কেব্ল উলত্রাসব্লা হয়ে থাকে। ক্লাবটি ১৯০২ সালের৬ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। এদের মাঠের নাম সান্তিয়াগো বানার্ব্যু স্টেডিয়াম, মাদ্রিদ স্পেন। এদের একটি সফল বাস্কেটবল শাখা রয়েছে।

২০১৯ সালের ফোর্বসের তালিকা অনুযায়ী ক্লাবটির বাৎসরিক আয় ৪.২ বিলিয়ন ইউএস ডলার। তারা ক্লাব বিশ্বকাপে ৬ বার, চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১২ বার, লা লিগায় ৩৩টি শিরোপা জয়ের রেকর্ড আছে তাদের। বর্তমানে তাদের কোচ হিসেবে দায়িত্বে আছে কিংবদন্তী খেলোয়াড় জিনে-দিন জিদান।

৪।বায়ার্ন মিউনিখ:

বায়ার্ন মিউনিখ

এই ক্লাবের পূর্ণনাম হল ফুটবল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ ইভই। সাধারণভাবে এটি এফসি বায়ার্ন নামেই পরিচিত। এরা মিউনিখ ভিত্তিক জার্মান পেশাদার ফুটবল ক্লাব যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। এরা এদের সকল হোম ম্যাচ মিউনিখেরই এলিইয়াঞ্জ এরিনায় খেলে থাকে যার ধারণ ক্ষমতা ৭৫০০০। তাদের স্লোগান হচ্ছে “উয়ই আর হু উয়ই আর”। এটি জার্মানির বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ক্লাব।

সারা পৃথিবীতে আছে তাদের অসংখ্য গুণগ্রাহী এবং সমর্থক। বায়ার্ন তাদের সমর্থকদের জন্য তাদের ১২ নম্বর জার্সি উৎসর্গ করেছে। সবগুলো ইউরোপীয় ক্লাব জেতা অন্যতম প্রভাবশালী ক্লাব হল এই বায়ার্ন মিউনিখ। তাদের দখলে আছে ১৫বারলীগ শিরোপা, আর ৪টি ইউরোপীয় কাপ জেতা সহ মোট ২২ লীগ শিরোপা জেতার রেকর্ড। তবে তাদের অবস্থান  যে বরাবরই এমন ছিল তা কিন্তু নয়।

ক্লাবটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ব্যায়াম ক্লাব সদস্যদের দ্বারা যারা কিনা তাদের প্রথম জার্মান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল ১৯৩২ সালে ইন্ট্রেঞ্চট ফ্রাংফুয়ার্ট কে ২-০ গোলে হারিয়।

৫০ এর দশকের শেষদিকে ক্লাবটি প্রায় দেউলিয়া হয়ে যায়। ফলশ্রুতি তারা বাদ পরতে থাকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থেকে। এমনই এক ক্রান্তি লগ্নে এসে তারা সিদ্ধান্ত নেয় আর কোন দামী খেলোয়াড় কিনবে না ক্লাব চলবে তরুণ খেলোয়াড়দের দিয়ে। তখন থেকে বায়ার্ন হয়ে যায় তরুণ খেলোয়াড়দের আঁতুড় ঘর। তাদের এমন পরিকল্পনা থেকেই বিশ্ব পায় জার্ড মুলার, সেপ মেইয়ার, ফ্রান্তস বেকেন বায়ের মতো খেলোয়াড়দের।

তাদের দৈন্য দশা থেকে বায়ার্ন ঘুরে দাঁড়ায় ঠিক তার পরের দশকেই যখন থেকে শুরু হয় বায়ার্নের আসল স্বর্ণযুগের। বর্তমানে তাদের বাৎসরিক আয় প্রায় ২.৪১ বিলিয়ন ইউরো।

৫।ম্যানচেস্টার সিটি:

ম্যানচেস্টার সিটি

১৮৮০ সালে ম্যানচেস্টার সিটি ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে যা মূলত একটি ইংরেজ প্রিমিয়ার লিগের ফুটবল ক্লাব। এর পুরো নাম হল ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব এবং ডাক নাম হল সিটি। আবুধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ ২০০৮ সালে ক্লাবটিকে কিনে নেয় এবং এটি পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষ ধনী ক্লাবে রূপান্তরিত হয়। এখান থেকেই যেন শুরু হয় তাদের জয়ের ধারাবাহিকতা।

সিটি তাদের ২৩ নাম্বার জার্সিটি আজও কাউকে দেয় না। জার্সিটি ছিল তাদের ক্যামেরুনিয়ান মিডফিল্ডার মার্ক ভিভিয়ান ফোয়ের যিনি ধারে খেলতে যান লিঁওতে এবং সেখানে ২০০৩ সালে সেমিফাইনাল ম্যাচে হৃদযন্ত্রের  ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

অনেক চড়াই উতরাই পার করে ক্লাবটি তাদের বর্তমান অবস্থায় পৌঁছায়। 

৬।আর্সেনাল:

আর্সেনাল

আর্সেনাল ফুটবল ক্লাব যার ডাক নাম দ্য গালার্স প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৬ সালের অক্টোবর মাসে। এটি মূলত লন্ডনের ইজলিংটন ভিত্তিক একটি ইংরেজ পেশাদার ফুটবল ক্লাব। বর্তমানে ক্লাবটি ইংল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় পর্যায়ের প্রিমিয়ার লিগে খেলে থাকে।

এই ক্লাবটি ইউরোপের সেরা ফুটবল ক্লাব জি ১৪ এর সদস্য। ক্লাবটি১৮৯৩ সালে দক্ষিণ ইংল্যান্ডের ক্লাব হিসেবে দ্য ফুটবল লীগে যোগদান করে এবং তাদের জয়ের ধারাবাহিকতা আজও ধরে রেখেছে।

ক্লাবের সদস্য হিসেবে হার্বার্ট চ্যাপম্যান গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন যিনি পরবর্তীতে নিউমোনিয়ায় মারা যান। তিনিই ক্লাবের পোশাকে সাদা হাতা এবং উজ্জ্বল লাল রং যুক্ত করেছিলেন।

আয়ের দিক থেকে ক্লাবটি বিশ্বের নবম ধনী ক্লাব যাদের বাৎসরিক আয় হল প্রায় ৪৮৭.৬ মিলিয়ন ডলার। আর সব ক্লাবের মতো এখানেও বিনিয়োগ আসে বিদেশিদের থেকে, যেমন ক্লাবের সাড়ে ১২% শেয়ারের মালিক আমেরিকান ক্রীড়া শিল্পপতি স্টান ক্রোয়েনের হাতে। এর শেয়ারের ৪৫% আছে পরিচালনা পর্ষদের হাতে। এছাড়াও ফেলো পরিচালক রিচাআর্ড কারের আছে ৪.৪% শেয়ার এবং ০.৮% শেয়ার ক্লাবটির বর্তমান মালিকের মালিকানায় আছে।

৭।চেলসি:

চেলসি

লন্ডনের ফুল-হ্যামে অবস্থিত ইংরেজ পেশাদার ফুটবল দল চেলসি যা ১৯০৫ সালের ১০ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মূলত সিএফসি নামেই বেশী পরিচিত। ক্লাবটি ৩০ টিরও বেশি শিরপা জিতে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাবগুলোর অন্যতম হিসেবে নিজের জায়গা তৈরি করে। এখন পর্যন্ত ক্লাবটি ইংল্যান্ডের ফুটবলে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে।

ক্লাবটির নিজস্ব মাঠ আছে যার নাম স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ এবং এর ধারণ ক্ষমতা ৪০৮৩৪। এটি যুক্তরাজ্যের সবচেয় জনপ্রিয় দলগুলোর অন্যতম যাদের সমর্থকগোষ্ঠী প্রায়  মিলিয়ন। ক্লাবটির দেশীয় সংস্কৃতিতেও অবদান রয়েছে যেমন দলটি বিভিন্ন সিনেমা এবং গানেও অংশ নিয়েছে।

ক্লাবটির বাৎসরিক আয় চার কোটি আটাশ লাখ পাউন্ড। ২০০৩ সাল থেকে ক্লাবটির মালিকানা আছে রাশিয়ান তেল ব্যবসায়ী রোমান আভ্রামভিচের অধীনে। ২০১৯ সাল থেকে সাবেক ইংলিশ মিডফিল্ডার কিংবদন্তী ফ্রাংক ল্যাম্পার্ড ক্লাবটির কোচের দায়িত্বে রয়েছেন।

৮।লিভারপুল:

লিভারপুল

ইংল্যান্ডের লিভারপুলে অবস্থিত লিভারপুল ফুটবল ক্লাব যা মূলত লিভারপুল নামেই বেশী পরিচিত। ১৮৯২ সালের ৩ জুন এনফিল্ডের মালিক, জন হোল্ডিং ক্লাবটি  প্রতিষ্ঠা করেন। ইংলিশ ফুটবল লিগের অন্যতম সফল একটি দল এই লিভারপুল যার ডাকনাম দ্য রেডস।

তাদের মাঠের নাম এনফিল্ড স্টেডিয়াম যা লিভারপুলে অবস্থিত এবং এর  ধারণ ক্ষমতা ৫৩৫০০। ক্লাবটি এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০টির বেশী শিরোপা জিতে। তাদের সবচেয়ে বড় জয় ১৯৭৪ সালে যেখানে তারা ১১-০ গোলের ব্যবধানে জয় পায়। ২০১৫ সাল থেকে দলের দায়িত্বে আছেন ইয়ুর্গেন ক্লুপ যার হাত ধরেই ক্লাবটি তাদের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের মুকুট প্রথমবারের মতো ঘরে তুলতে পারে।

৯।জুভেন্টাস:

জুভেন্টাস

জুভেন্টাস এফসি ইতালির তুরিন শহরের একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব যার সংক্ষিপ্ত নাম ইয়ুভে, যেএফসি, জেইউভি।এদের মাঠের নাম ইউভেন্তুস স্টেডিয়াম।যার ধারণ ক্ষমতা ৪১৫০০। ১৮৯৭সালের দিকে কয়েকজন তুরিন ছাত্রের হাত ধরে ক্লাবটি তাদের যাত্রা শুরু করে। প্রতিষ্ঠার ২ বছর পর ক্লাবটি তাদের নাম পরিবর্তন করে তাদের নতুন নাম রাখে জুভেন্টাস ফুটবল ক্লাব যা শুধুমাত্র জুভেন্টাস নামে পরিচিত। বর্তমানে এটি ইতালির শীর্ষস্থানীয় ফুটবল লিগ সেরিয়ে আ তে খেলে।

বর্তমানে ক্লাবটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে আছে আন্দ্রেয়া পিরলো এবং সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আন্দ্রেয়া আনেল্লি।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন মাঠে তারা তাদের হোম-গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার  করলেও ২০১১ সাল থেকে তুরিনে অবস্থিত ৪১০০০ হাজার ক্ষমতা সম্পন্ন আরিয়ানঞ্জ স্টেডিয়ামকে তাদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করছে। ১৯০২ সাল থেকেই তাদের জার্সি দুটোও কালো স্ট্রিপ দেওয়া সাথে সাদা হাফপ্যান্ট। তাদের উল্লেখযোগ্য খেলোয়াড় হচ্ছে জিনে-দিন জিদান, পা-ভেল নেদভেদ, প্রমুখ।

১০। টটেনহ্যাম হটস্পারঃ

 টটেনহ্যাম হটস্পার

২০ শতকের প্রথম ডাবলস জেতা ক্লাব হল টটেনহ্যাম যার ডাক নাম দ্যা লিলি হোয়াইট এবং সংক্ষিপ্ত  নাম  স্পার্স। ক্লাবটি ১৮৮২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি ইংরেজ পেশাদার ফুটবল ক্লাব যারা প্রিমিয়ার লিগ খেলে থাকে। তারাই প্রথম কোনও ব্রিটিশ ক্লাব যারা ইউরোপীয় ট্রফি জেতে। তাদের নিজস্ব মাঠের নাম ওয়েম্বলি স্টেডিয়াম ওয়েম্বলিতে অবস্থিত এবং ধারণ ক্ষমতা হল ৬২৩০০।

বর্তমানে ক্লাবটির মালিক ইএনআইসি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডযার শেয়ার মালিকানা রয়েছে ক্লাবে ৮৫.৫৫% ।

 শেষ কথাঃ 

পরিশেষে বলা যায় ক্লাবগুলো তাদের আজকের অবস্থানে আসার পিছনে অনেক পরিশ্রম এবং সাধনা করেছে। একদিনেই কোনও ক্লাব ধনী বা শীর্ষে উঠে যায়নি। প্রতিটা ক্লাবেরই রয়েছে শতবর্ষের ইতিহাস। এই ইতিহাস হচ্ছে তাদের ভেঙ্গে পড়ার এবং তা কাটিয়ে আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর।

Explore More:

বিশ্বের সেরা ১০ কভার্ট অপারেশন যাদের নামে শিউরে উঠে বিশ্ব

বিশ্বের দুর্ধর্ষ ১০ গোয়েন্দা সংস্থা, শীর্ষে রয়েছে মোসাদ

Recent Posts